বিদেশি অধ্যাপকের স্বাক্ষর জালিয়াতি ইবির সাবেক সমন্বয়কের


প্রকাশিত: ০৫:১৪ ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাবেক সহ-সমন্বয়ক ও অর্থনীতি বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ হাসানের বিরুদ্ধে বিদেশি অধ্যাপকের স্বাক্ষর জালিয়াতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ নিউ অরলিন্সের (UNO) এক প্রফেসরের স্বাক্ষর নকল করে তিনি একটি ভুয়া চাকরির প্রস্তাবপত্র (অফার লেটার) তৈরি করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, নিজের মূল সনদ উত্তোলনের প্রক্রিয়া সহজ করতে নাহিদ হাসান এই জাল অফার লেটার তৈরি করেন। নথিতে উল্লেখ করা হয়, ইউনিভার্সিটি অফ নিউ অরলিন্সের অর্থনীতি ও অর্থসংস্থান বিভাগ থেকে তিনি ২০২৫-২৬ বর্ষে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট (TA) পদে নিয়োগ পেয়েছেন। এতে আরও বলা হয়, তার কর্মকাল শুরু হবে ১৪ আগস্ট ২০২৬ থেকে এবং শেষ হবে ১৩ মে ২০২৭ পর্যন্ত। পাশাপাশি বাৎসরিক ১৮ হাজার মার্কিন ডলার স্টাইপেন্ড, ফুল-টাইম গ্র্যাজুয়েট শিক্ষার্থী হিসেবে তালিকাভুক্তি ও নন-রেসিডেন্ট ফি মওকুফের তথ্যও উল্লেখ করা হয়।
অন্য একটি নথিতে দেখা যায়, নাহিদ হাসান ১৪ নভেম্বর ওই অফার গ্রহণ করেছেন বলে দেখানো হয় এবং সেখানে তার স্বাক্ষর সংযুক্ত রয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট প্রফেসরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেন তিনি। ইউনিভার্সিটি অফ নিউ অরলিন্সের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ও পিএইচডি প্রোগ্রাম সমন্বয়কারী ড. কবীর হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমার স্বাক্ষর জাল করে একটি ভুয়া অফার লেটার তৈরি করা হয়েছে। এটি স্পষ্টতই অনৈতিক কাজ।
তবে তিনি জানান, এতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর বড় কোনো ক্ষতি হোক তিনি তা চান না, বরং ভবিষ্যতে এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নাহিদ হাসানকে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেননি। তবে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আমার ভুল হয়েছে। মূল সনদ উত্তোলনের জন্য কিছু প্রক্রিয়া জটিল ছিল। এক জুনিয়রকে বললে সে এই অফার লেটারটি তৈরি করে দেয়। এটা করা আমার একেবারেই উচিত হয়নি।
এদিকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তর সূত্রে জানা যায়, প্রথমে অফার লেটার সংযুক্ত করে আবেদন জমা দিলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রফেসরকে ই-মেইল পাঠায়। কিন্তু সাড়া না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিশেষ সুপারিশে নাহিদ হাসান মূল সনদ উত্তোলনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সুপারিশের পর তার সনদ প্রিন্ট সম্পন্ন হলেও এখনো হস্তান্তর করা হয়নি।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. ওয়ালিউর রহমান বলেন, প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ের পর সনদ প্রস্তুত করা হয়েছে। সব ক্ষেত্রে শতভাগ যাচাই সম্ভব হয় না। অনেক সময় বিশেষ সুপারিশেও কাজ করতে হয়। তবে অভিযোগের বিষয়টি আমরা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানান।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - অপরাধ ও শৃঙ্খলা
- অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি পেতেই জামায়াত জোটে আসিফ: রাশেদ খাঁন
- দেশে ফিরেই আওয়ামী লীগকে লজ্জার রাজনীতি না করার বার্তা বাঁধনের
- জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, পাবেন যেসব তরুণ উদ্যোক্তা
- নাকভির হাত থেকে ট্রফি না নেওয়ার কারণ জানাল ভারত
- দোতলা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র নির্মাণ করছে উত্তর কোরিয়া
- উত্তরা থেকে জামালপুর আওয়ামী লীগ নেতা শাহীনুজ্জামান গ্রেপ্তার
- ডেভিড ইমনের সহযোগী ‘ডাবা হারুন’ গ্রেপ্তার
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য সরকারের
- ১০ মাস পর ঢাকায় ফিরছে কাভিশ, সঙ্গে শিরোনামহীন ও মেঘদল
- ইসলামের নামে যারা সমাজে ঘৃণা ছড়ায়, তারা সর্বোচ্চ মাসুদ হওয়ার যোগ্য
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- টেস্টোস্টেরন পরীক্ষায় কি লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব? জানুন বিজ্ঞান কী বলে
- ভারতে ‘ভূত আতঙ্কে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী, চিকিৎসকদের ভিন্ন ব্যাখ্যা
- হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- ফের ‘জান্নাত’ নিয়ে আসছেন ইমরান হাশমি, আসছে ‘জান্নাত ৩’
- এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী
- আখ চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য, খুলছে বাড়তি আয়ের পথ
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু




