মদের বোতল হাতে ইবি শিক্ষকের ভিডিও ভাইরাল


প্রকাশিত: ০৩:৩৩ ২৩ অক্টোবর ২০২৫
মদের বোতল হাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) এক শিক্ষককে কুষ্টিয়া শহর ঘুরে বেড়ানোর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তিনি ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম শোয়েব। এতে ক্যাম্পাস জুড়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মাঝে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) 'ফারাবী হাসান' নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ১৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি পোস্ট করা হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষক শোয়েব একটি পলিথিন ব্যাগে মদের বোতল নিয়ে রাস্তা দিয়ে দ্রুতার সাথে হেঁটে যাচ্ছেন। এসময় পিছন থেকে কেউ ভিডিও ধারণ করছে।
ভিডিওর ক্যাপশনে লেখেন, মদের বোতল হাতে কুষ্টিয়া শহরে ঘুরে বেরাচ্ছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শোয়েইব৷ এই মাস্টার দিনের বেশি সময় টাল থাকে। ছাত্রদের সাথেও বসে নেশা করে৷ ক্যাম্পাসের পাশের মেথর পটি থেকেও বাংলা আনতেও দেখা যায়।
রাত ১২/১ টার পর রাফেলের দোকানে তাকে দেখা গেলেও পাশে বসা যায় না। এত্ত পরিমাণে মাল খেয়ে টাল হয়ে থাকা। জয় গুরু।
পরে বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে তা ছড়িয়ে পড়ে। 'University Update' নামক এক ফেসবুক পেইজে তা শেয়ার করা হলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে য়ায়।
উক্ত পেইজের ক্যাপশনে লেখেন, ম*দে*র বো*ত*ল হাতে কুষ্টিয়া শহরে ঘুরে বেরাচ্ছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক শোয়েইব৷ এই মাস্টার দিনের বেশি সময় টাল থাকে। ছাএদের সাথেও বসে নেশা করে৷ ক্যাম্পাসের পাশের মেথর পটি থেকেও বাংলা আনতেও দেখা যায়। জয় গুরু।
এতে আলিবুল ইসলাম মন্তব্য করেন, এই শিক্ষককে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হোক এবং আইনগত ব্যবস্থা নেও আমির হামজা সাহেব ঠিকই বলেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে মদ দিয়ে কুলি করে।
সাইফুক ইসলাম লেখেন, উনার শিক্ষক সুলভ আচরন কোনো দিন পাইনি।
সাইফুল বিশ্বাস লেখেন, আসলে এগুলো একটু খারাপই দেখায়,তবুও মানুষের পার্সোনাল লাইফ বলে তো কিছু একটা আছে,তার জীবনটা হয়ত কোন ঘটনায় এলোমেলো হয়ে গেছে। তবে বেশ কয়েকবছর ধরে তার এ সমস্ত কর্মকান্ডের কথা শুনছি,শিক্ষক হিসেবে তার উচিৎ এগুল বাদ দেওয়া না হয় খুব গোপনে করা,,,
আশিক ফয়সাল লেখেন, মদের বোতল হাতে নিয়ে সে কারোর যাপিত জীবনে হস্তক্ষেপ করতেছেনা!! এই যেমন আপনারা ফোন হাতে এর ওর কর্মকান্ডের ছবি তোলা বা ভিডিও করায় ব্যস্ত!! এইসব না করে নিজের জীবনের প্রতি মনোযোগ দেন!!
এই বিষয়ে জানতে ঐ শিক্ষকের সাথে দুইদিনে একাধিকবার অফলাইন, অনলাইনে যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শাহাদাৎ হোসেন আজাদ বলেন, এ বিষয়ে আমি এখনো অবগত নই। তবে কেউ যদি জানায় তাহলে বিভাগে একাডেমিক কমিটির মিটিংয়ে আলোচনা সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এমনটি হলে দুর্ভাগ্যজনক, দুঃখজনক। বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬ টি বিভাগ আছে। এসব ঘটনায় অন্যরা তো শিক্ষার্থীদেরকে ছোট করবে।
বিজ্ঞাপন
সর্বোচ্চ পঠিত - শিক্ষা
- কারাগারেই মায়ের আদ্যশ্রাদ্ধ করতে চান চিন্ময় কৃষ্ণ দাস
- বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ ছাড়ছেন সালমান এফ রহমান
- কাদের-সাদ্দামসহ ৭ আওয়ামী নেতার মামলার রায় আজ
- ফ্রান্স দলে বিভক্তির শঙ্কা, এমবাপে-দেম্বেলেকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা
- তুরস্ক ভ্রমণে এসে ইসলাম গ্রহণ করলেন দক্ষিণ কোরীয় নারী
- শহীদ দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ, দেওয়া হলো আর্থিক সহায়তা
- আকরাম খান জীবনী: যে জয়ে বদলে গিয়েছিল বাংলাদেশের ক্রিকেট
- অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি পেতেই জামায়াত জোটে আসিফ: রাশেদ খাঁন
- দেশে ফিরেই আওয়ামী লীগকে লজ্জার রাজনীতি না করার বার্তা বাঁধনের
- জামানত ছাড়াই ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক, পাবেন যেসব তরুণ উদ্যোক্তা
- রাজ্জাক দেওয়ান স্মরণে গাইবেন বগা তালেবসহ ১৫ শিল্পী
- মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয়: জামায়াত আমির
- ভারতে ‘ভূত আতঙ্কে’ হোস্টেল ছাড়ল ৬০০ শিক্ষার্থী, চিকিৎসকদের ভিন্ন ব্যাখ্যা
- ফের ‘জান্নাত’ নিয়ে আসছেন ইমরান হাশমি, আসছে ‘জান্নাত ৩’
- ডা. তাসনিম জারা: শিক্ষা, ক্যারিয়ার ও রাজনীতি
- হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে ইরান
- আখ চাষে বদলাচ্ছে কৃষকের ভাগ্য, খুলছে বাড়তি আয়ের পথ
- এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী
- আওয়ামী লীগের বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে জামায়াত: রাশেদ খান
- পাকিস্তানের হাসপাতালে এসি বিস্ফোরণ, ১৫ নবজাতকের মৃত্যু
