• বুধবার , ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ | ১ আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুথি সংকট মোকাবিলায় ইসরায়েলের গোয়েন্দা সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব: প্রতিবেদন

হুথি সংকট মোকাবিলায় ইসরায়েলের গোয়েন্দা সহায়তা চেয়েছে সৌদি আরব: প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১২:২৩ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের হুথিদের সাম্প্রতিক হামলা মোকাবিলায় গোয়েন্দা সহায়তা নিয়ে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে আলোচনা চলছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মধ্যস্থতায় এই আলোচনা হচ্ছে বলে আঞ্চলিক কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানিয়েছে দ্য জেরুজালেম পোস্ট।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবকে হুথিদের সামরিক অবস্থান, মোতায়েন এবং সম্ভাব্য পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় রয়েছে। তবে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে এখনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

সৌদি যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপারের বৈঠকের পর এ বিষয়ে আলোচনা আরও এগোয়। সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমও জেদ্দায় তাদের বৈঠক এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার তথ্য জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা বেড়েছে। দ্য জেরুজালেম পোস্টের তথ্য অনুযায়ী, তেল পাইপলাইন ও পাম্পিং স্থাপনাসহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হামলার লক্ষ্য হয়েছে। পাশাপাশি ইয়েমেন-সৌদি সীমান্তের কাছাকাছি এলাকাতেও হামলার ঘটনা ঘটেছে।

হুথিদের তৎপরতা বাব এল-মানদেব প্রণালি ও লোহিত সাগর অঞ্চলের নৌ চলাচল নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, হুথি বাহিনী লোহিত সাগরের কয়েকটি কৌশলগত দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সৌদি জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করেছে বলে আঞ্চলিক সূত্র দাবি করেছে।

এর আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান হুথিদের মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সহায়তা চেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানিয়েছিল। এই প্রেক্ষাপটে সেন্টকমের সঙ্গে সৌদি আরবের সামরিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক না থাকলেও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতার কারণে দুই পক্ষের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চলছে। তবে সহযোগিতার পরিধি এবং ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা রয়েছে।

বর্তমান আলোচনায় মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে হুথিদের সামরিক সক্ষমতা ও গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য বিনিময়ের ওপর। তবে সম্ভাব্য সহযোগিতা কতটা বিস্তৃত হবে বা তা আনুষ্ঠানিক কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থায় রূপ নেবে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট, রয়টার্স

বিজ্ঞাপন