• বুধবার , ২২ এপ্রিল, ২০২৬ | ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কারগিলে রুদ্ধশ্বাস শাটডাউন, লাদাখের মানুষের সংহতি দেখছে দেশ

কারগিলে রুদ্ধশ্বাস শাটডাউন, লাদাখের মানুষের সংহতি দেখছে দেশ

অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ০৭:০৭ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারতের সীমান্তবর্তী লাদাখে বুধবার ঘটে যাওয়া সহিংস বিক্ষোভের এক দিন পর বৃহস্পতিবার পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত ছিল। লাদাখকে আলাদা রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া এবং ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে আন্দোলনের সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি আহত হয়েছেন ৫০-এর বেশি মানুষ।

স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে আর কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি। তবে জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য চারজনের বেশি মানুষের জড়ো হওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

কারগিল শহরে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের গুলিতে নিহতদের প্রতি সম্মান এবং লাদাখের সঙ্গে সংহতি প্রদর্শন করতে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আধা-সামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

বিক্ষোভের সময় কিছু অংশের সহিংসতায় স্থানীয় বিজেপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ গুলি চালায়। লাদাখের লেহের পুলিশ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে লেহে কোথাও কোনো সহিংসতার খবর নেই। নিষেধাজ্ঞা এখনও বহাল রয়েছে এবং পুলিশ সড়কগুলোতে নজরদারি চালাচ্ছে।”

কারগিলের ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের (কেডিএ) ডাক অনুযায়ী পুরো জেলা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’-এ রয়েছে। কেডিএ নেতা সাজাদ কারগিলি বলেছেন, “আমরা লাদাখের মানুষ ও লেহে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালাচ্ছি। মানুষের নিরাপত্তা বজায় রেখে আমরা সংলাপের মাধ্যমে আমাদের দাবি উত্থাপন করতে চাই।”

এদিকে হুররিয়াতের চেয়ারম্যান এবং কাশ্মীরের প্রধান ধর্মীয় নেতা মিরওয়াইজ উমর ফারুক লেহে নিহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “২০১৯ সালের ৫ আগস্টের সিদ্ধান্তের পর এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। লাদাখের জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ করা প্রয়োজন যাতে এমন দূর্ঘটনা আর না ঘটে।”

লাদাখে বিক্ষোভ ও হত্যাকাণ্ডের পর কারগিল শহরের মানুষ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করছেন এবং পুরো এলাকায় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
 

বিজ্ঞাপন

https://moreshopbd.com/